banner

SLIDE BAR

Image Slider By nurmonyitworld.net.ms NUR-MONY IT WORLD ENG.KAMRUL HASAN IFAZ. ''প্রযুক্তিকে ভালবাসুন।প্রযুক্তির সাথে থাকুন সবসময়, প্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিন বিশ্বময়”

হেডলাইন

WELCOME TO OUR BLOG SITE.IF U LIKE OUR BLOG PLEASE SHEAR UR FRIENDS.Email us to inform about our wrong information. to inform about product price and specification, to inform about new product in the market, to inform that what you want to know?THANKS VISIT OUR BLOGSITE
রান্নাঘর টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রান্নাঘর টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৪ জানুয়ারি, ২০১৩

দই ফল


doi-folদই ফল
উপকরণ: টক দই ২৫০ গ্রাম, চিনির সিরা (আধা কাপ চিনি ও আধা কাপ পানিসহ জ্বাল দিয়ে নিতে হবে) ও ইচ্ছামতো মৌসুমি মিষ্টি ফল।
প্রণালি: টক দই হালকা করে ফেটে নিন। চিনির সিরা মিশিয়ে নিন অল্প অল্প করে স্বাদমতো (কম-বেশি ইচ্ছামতো)। চিনির সিরা না-ও ব্যবহার করতে পারেন, যদি মিষ্টি খেতে না চান। যে পাত্রে পরিবেশন করবেন, সে পাত্রে সব ফল ছোট করে কেটে রেখে তার ওপর দই ঢেলে দিন। ওপরে পছন্দমতো ডিজাইন করে ফল সাজিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
সাশা মানসুর
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, মার্চ ২৯, ২০১১

উচ্ছে নিরামিষ


uccheউচ্ছে নিরামিষ
উপকরণ: ছোট করলা ১ কাপ (পাতলা করে কাটা), আলু ১টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া সামান্য, হলুদ গুঁড়া সামান্য, জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, আদা বাটা আধা চা-চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ২টি, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, পানি ১ কাপ।

পাটশাকের ঘণ্ট


patshakপাটশাকের ঘণ্ট
উপকরণ: পাটশাক ২ আঁটি, মসুর ডাল ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি ফালি। রসুন কুচি ৩-৪ কোয়া, হলুদ গুঁড়া সামান্য, বোম্বাই মরিচ ১টি, লবণ, তেল প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: পাটশাক ধুয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে।

মোরগের কোরমা

পকরণ: মাঝারি মোরগ ২টা, দই ১ কাপ, সয়াবিন তেল আধা কাপ, ঘি আধা কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা দেড় টেঃ চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, পোস্তদানাবাটা ১ টেঃ চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, জায়ফল জয়ত্রী গুঁড়া সিকি চা চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ, আলুবোখারা ৫-৬টা, পেস্তাবাদাম কুচি ১ টেঃ চামচ, বেরেস্তা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৭টা, কেওড়া ১ টেবিল চামচ, তেঁতুল গোলা ২ টেঃ চামচ, দুধ ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ টেবিল চামচ, দারুচিনি ৪ টুকরা, এলাচ ৪টা, লবঙ্গ ৪টা, তেজপাতা ২টা, কিসমিস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী: মোরগ পরিষ্কার করে ৪ বা ৮ টুকরা করে দই, গোলমরিচ, সব বাটা মসলা দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘন্টা রাখতে হবে।
তেল ও ঘি একসঙ্গে চুলায় দিয়ে গরম হয়ে গেলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে মসলা মাখানো মোরগ, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা ও লবণ দিয়ে কষাতে হবে। মাংসের পানি শুকিয়ে গেলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

মোরগ পোলাও

মোরগ পোলাও
উপকরণ: চাল, একটি মুরগি (চার টুকরা করে কেটে নিতে হবে), পেস্তা বাদাম গুঁড়া, আলুবোখারা, তেল, ঘি, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ছোট এলাচ, দারচিনি, জয়ত্রি, জায়ফল, লবঙ্গ, শাহি জিরা, টক দই, দুধ, কাঁচামরিচ, সাদা গোলমরিচ, লবণ পরিমাণমতো। শুকনা মরিচ, কাঁচামরিচ, আদা, রসুন, ভাজা পেঁয়াজ।
প্রণালি: ভালোভাবে পরিষ্কার করে টুকরো করা মুরগি ৩০ মিনিট লবণপানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। লবণপানি থেকে তুলে ভালোভাবে ছেঁকে নিতে হবে। পেঁয়াজ, আদা, রসুন বাটা, গরম মসলা গুঁড়া, দুধ দিয়ে মুরগির মাংস মেখে কিছু সময় রাখতে হবে। পাত্রে মালাই, জায়ফলসহ বিভিন্ন মসলা দিয়ে আগুনের ওপর কিছু সময় রাখতে হবে। এতে মুরগির মাংস সেদ্ধ করে নিতে হবে। চাল আলাদাভাবে আধা সেদ্ধ করে দিতে হবে। মুরগি সেদ্ধ হয়ে গেলে মাংস রেখে দিতে হবে। আধা সেদ্ধ চাল মুরগি সেদ্ধ করা পানি ও তেলে রান্না করতে হবে। হয়ে এলে এর মধ্যে মুরগির মাংস ছেড়ে দিন। হয়ে গেল মোরগ পোলাও।
শওকত তেহারি ও ক্যাটারিং সার্ভিস
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, নভেম্বর ১৬, ২০১০

পুরো পুষ্টিই চাই


mehreenরসনাবিলাসে আমরা তুলনাহীন। তবে শুধু রসনাবিলাসী হলে চলবে না, রান্নার সময় খাবারের পুষ্টি যাতে নষ্ট না হয়ে যায়, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। রান্নার আগে শাকসবজি ধোয়া থেকে শুরু করে রান্নার পর পর্যন্ত যেন খাবারের পুষ্টি ঠিক থাকে, সেটা লক্ষ রাখা চাই। খাবারের পুষ্টি ঠিক রাখা ও গুণগত মান অটুট রাখার উপায় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ ও রন্ধনশিল্পী সিদ্দিকা কবীর।

মাইক্রোওয়েভে ঝটপট রান্না


ovenঈদ এসে গেল। উৎসবের এই দিনে ব্যস্ততার শেষ থাকে না। সারা দিন মাংস কাটা, বণ্টন আর নানা পদের রান্না। এরই মধ্যে অতিথিকে খাবার পরিবেশন করতে হয়। অনেক সময় ঈদের দিনে অতিথির সঙ্গে বসে গল্প করার সময় থাকে না। স্বল্প সময়ে সব পদও রান্না করা যায় না। এই সময়টাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে আধুনিক জীবনের অন্যতম সঙ্গী মাইক্রোওয়েভ ওভেন। সামর্থ্য থাকলে ঈদের আগে কিনে নিতে পারেন এটি। এখন ঈদের দিনে কী কী রান্না করবেন এতে? সময়ই বা বাঁচাবেন কী করে? সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন উপস্থাপক শারমিন লাকী।

শিল্পীর (কনকচাঁপা) হাতে উৎসবের রান্না


kanakchapaঈদের আগে নকশার পাঠকদের জন্য কয়েকটি রান্নার রেসিপি দিয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী কনকচাঁপা। রান্নাবান্না করেন বেশ আগ্রহ নিয়েই। নিজের রান্না নিয়ে কনকচাঁপা বলেন— ‘অনেক ছোটবেলা থেকেই আমি গান গাওয়া শুরু করি। কিন্তু রান্নার প্রতি আমার আগ্রহ গড়ে ওঠে বিয়ের পর। তখন আমার বয়স প্রায় ২৫। আমার স্বামীকে বলা যায় একজন ভোজনরসিক মানুষ। আমি ও আমার স্বামী মাছ খুব পছন্দ করি। খাবারের প্রতি স্বামীর আগ্রহই আমাকে রান্নার প্রতি আগ্রহী করে তোলে। খাবারের বিষয়ে ও বেশ ঠোঁটকাটা। ভালো হলে যেমন প্রশংসা করে, স্বাদ না হলে তেমনি সমালোচনা করতে ছাড়ে না। পরিবারে সবাই বরাবরই গরুর মাংস পছন্দ করে। পছন্দের তালিকায় এরপর রয়েছে টাটকা মাছের ঝোল ও মুরগির ঝাল ফ্রাই। মা বা শাশুড়ি যখন রান্না করেন, তখন খুব ভালো লাগে। তবে এর চেয়েও ভালো লাগে নিজের হাতের রান্না খেয়ে যখন মা-শাশুড়িরা খাবারের প্রশংসা করেন। আমার তৈরি দইবড়া দুই পরিবারের পছন্দের খাবার।’
জলপাই শরবত
কাঁচা জলপাই বিচি ছাড়িয়ে কুচিয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে চিনি, নুন, অল্প কাঁচা মরিচ, বিট লবণ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে। শরবতের মতো তরল হবে। নুন, চিনি, ঝাল নিজের স্বাদমতো হবে। পরিবেশনের সময় ঝাঁকাতে হবে।
বিফ স্টেক কারি
উপকরণ: স্টেকের মতো কাটা ১ কেজি গরুর মাংস, ১ পোয়া টকদই, ১ চামচ আদা বাটা, ১ চামচ রসুন বাটা, ১ চামচ গরম মসলা গুঁড়া, ২ চামচ সিরকা, ২ চামচ সয়াসস, নুন, চিনি।
প্রণালি: গরুর মাংস সব উপকরণ দিয়ে মেখে ৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ওই মসলা মাংস থেকে চিপে সরিষার তেলে ভেজে তুলতে হবে। তারপর ওই মসলা তেলে দিয়ে কষাতে হবে। মসলা কষানো হলে মাংস ও একটু পানি দিয়ে ঢাকা দিয়ে এক ঘণ্টা রাঁধতে হবে। নামানোর আগে পেঁয়াজ মোটা করে বাটা (পোয়া খানেক) ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়েচেড়ে নামাতে হবে।
গাজরের হালুয়া
গাজর সেদ্ধ করে বেটে নিয়ে গুঁড়া দুধ, ঘি, চিনি, এলাচ সব একত্রে কষিয়ে নিন। কড়াইতে তেল ছেড়ে এলে নামাতে হবে। শক্ত বা নরম, বেশি দুধ, চিনি এগুলো নিজের বা পরিবারের রুচির ওপর নির্ভর করে।
আলুর চপ
উপকরণ: আলু, ডিম, মেয়োনিজ, ধনেপাতা, শুকনা মরিচ ভাজা, নুন, বিস্কুট গুঁড়া, কাঁচা মরিচ, গোলমরিচ গুঁড়া, পেঁয়াজ বেরেস্তা।
প্রণালি: সেদ্ধ আলু, শুকনা মরিচ ভাজা, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ, পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে চটকে মসৃণ করে নিতে হবে।
এক কেজি আলুতে চারটা ডিম সেদ্ধ করে প্র্রেটারে গ্রেট করে ধনেপাতা, ৩ টেবিল-চামচ মেয়োনিজ, কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে মাখিয়ে পুর বানাতে হবে।
চপের আকারে গড়ে পেটের মধ্যে ডিমের পুর দিয়ে বিস্কুটের গুঁড়াতে গড়িয়ে ডিমের গোলায় ডুবিয়ে ডুবোতেলে ভাজতে হবে।
ফ্রুট কাস্টার্ড
উপকরণ: খোরমা, কলা, আপেল, বেদানা, পেঁপে, আম, কাজু বাদাম, দুধ, ডিম, চিনি ২টি এলাচ, একটু কর্নফ্লাওয়ার। প্রণালি: ২ লিটার দুধ ৩ পোয়া মতো ঘন করে ঠান্ডা করতে হবে। ২টি ডিম ভালো করে ফেটিয়ে দুধে আন্দাজমতো চিনি, এক চিমটি নুন দিয়ে চুলায় ঘনঘন নাড়তে হবে। শেষে ২ চামচ কর্নফ্লাওয়ার পানিতে গুলিয়ে ঢেলে ফুটিয়ে কাস্টার্ড মিডিয়া তৈরি করে ঠান্ডা করে তাতে কাটা ফল দুধে ভিজিয়ে খোরমা, বাদাম কুচি সব দিয়ে দিন। ওপরে বেদানা ও পারলে কেক স্প্রেড (রঙিন ছোট দানা) দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
সালাদ
গাজর, আপেল, বাঁধাকপি কুচিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে। বাটিতে লাইন ধরে রুচিমতো সাজিয়ে সালাদ ড্রেসিং ঢেলে দিতে হবে। আমি আলাদা ড্রেসিং বানাই। ভার্জিন অলিভ অয়েলে পুদিনাপাতা, কাঁচা মরিচ, নুন, চিনি, লেবু একটু ভাঁপানো বরবটি কুচি দিয়ে মেশাই। এরপর যেকোনো সবজি যা কাঁচা খাওয়া যায় তাতে ঢেলে দিই।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, নভেম্বর ১৬, ২০১০

চিকেন কর্ণ সুপ

চিকেন কর্ণ সুপ

মোরগের মাংস / কাপ স্বাদ লবন / চা. চা
ডিম, ফেটানো ২টা চিনি / চা. চা
করণফ্লাওয়ার ২টে.চা লবণ / চা. চা
এ্যারারুট ২টে.চা সুইট করণ / চা. চা
১। মোরগের হাড় থেকে মাংস ছাড়িয়ে হাড়গুলি ২ লিটার পানিতে ২ঘন্টা সিদ্ধ কর। ছেঁকে ১লিটার স্টক মেপে নাও। স্টক তৈরি না করে চিকেন কিউব ব্যবহার করা যায়।
২। মাংস, ছোট কুচি কর অথবা মেশিনে কিমা কর।
৩। মাংস, লবণ, স্বাদলবণ, চিনি এবং সুইট করণ একসাথে মিশাও।
৪। এ্যারারুট ও করণফ্লাওয়ার স্টকে গুলে নাও। মাংস দিয়ে মিশাও। উনুনে দিয়ে নাড়তে থাক। ফুটে উঠার ১-২ মিনিট পরে সুপ ঘন হয়ে আসলে ফেটানো ডিম ধীরে ধীরে  দিয়ে হালকা হাতে নাড়তে থাক। ডিম দেওয়া শেষ হলে উনুন থেকে নামাও।
—————————–
সিদ্দিকা কবীর
রান্না খাদ্য পুষ্টি

ডিম টমেটো সুপ

ডিম টমেটো সুপ

টমেটো,বড় ৩ টি সিরকা ২ চা. চা.
পেঁয়াজ,কুচি ১ টি সাদা গোলমরিচ,গুঁড়া / চা. চা.
তেল ১ টে. চা. ডিমের সাদা ৩ টি
চিকেন স্টক ৫ কাপ চিনি,লবণ  
সয়াসস,লাইট ১ টে. চা. ধনেপাতা কুচি  
       

১। ফুটানো পানিতে টমেটো দাও। পাতলা খোসা ফেটে গেলে টমেটো তুলে খোসা ছাড়াও। টমেটো টুকরা কর।
২। তেলে পেঁয়াজ ভাজ। নরম ও চকচকে হলে চিকেন স্টক,সয়াসস,সিরকা,গোলমরিচ এবং পরিমানমতো লবণ ও চিনি দাও। ফুটে উঠার পরে মৃদু আঁচে ১০ মিনিট রাখ।
৩। ডিমের সাদা অল্প ফেট। উপর থেকে ধীরে ধীরে সুপে ডিমের সাদা ঢেলে দাও। নাড়বে না। ডিম জমার জন্য ১ মিনিট অপেক্ষা কর। টমেটো দিয়ে ৩ মিনিট মৃদু আঁচে ফুটাও।১ মিনিট পরে সুপের লবণ ও চিনি ঠিক হলো কিনা দেখে নামাও।
—————————–
সিদ্দিকা কবীর
রান্না খাদ্য পুষ্টি

চিকেন এন্ড নুডলস সুপ

চিকেন এন্ড নুডলস সুপ

সয়াবিন তেল ২ চা. চা. নারিকেলের পাতালা দুধ ৪ কাপ
কাজুবাদাম,কুচি ৩ টে. চা. নুডলস,সিদ্ধ / কাপ
শুকনা,মরিচ,গুঁড়া / চা. চা. অঙ্কুরিত ডাল / কাপ
জিরা,গুঁড়া / চা. চা. মোরগের মাংস,সিদ্ধ / কাপ
রসুন,মিহি কুচি / চা. চা. বিনকার্ড (ইচ্ছা) ৩০ গ্রাম
পেঁয়াজ,কুচি ২ টি কচি পেঁয়াজ,ফালি ৪ টি
টমেটো,বড় ১ টি নারিকেলের ঘন দুধ / কাপ
চিনি /চা. চা. কাঁচামরিচ ১ টি
সাদা গোলমরিচ,গুঁড়া / চা. চা. ধনেপাতা  

১। ফ্রাইপ্যানে তেল দাও। কাজুবাদাম,মরিচ,জিরা,রসুন ও পেঁয়াজ দিয়ে ৪ মিনিট ভাজ। টমেটো টুকরা করে দাও। নেড়ে চিনি ১ চা চামচ,লবণ,গোলমরিচ ও নারিকেলের পাতলা দুধ দাও। একবার ফুটে উঠলেই আঁচ কমিয়ে মৃদু আঁচে ৬-৮ মিনিট ফুটাও। উনুন থেকে নামিয়ে রাখ যেন গরম থাকে।
২। অঙ্কুরিত ডাল ঝাঁঝরিতে নিয়ে ১ মিনিট ফুটানো পানিতে রাখ। তুলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নাও।
৩। বিনকার্ড অল্প তেলে ভেজে টুকরা কর। মোরগের মাংস ছোট স্লাইস কর।
৪। চারটি সুপের বাটিতে নুডলস সমান ভাগ করে নাও। নুডলস উপরে অঙ্কুরিত ডাল,মাংস,বিনকার্ড,কচি পেঁয়াজ দিয়ে ২ টে.চামচ ঘন নারিকেলের দুধ দাও । খাবার ডুবিয়ে গরম নারিকেলের সুপ দাও। কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা দিয়ে গরম সুপ পরিবেশন কর।
—————————–
সিদ্দিকা কবীর
রান্না খাদ্য পুষ্টি

রান্নাঘরে লুকানো জীবাণু


lukano-jibanuরান্নাঘরকে যতটা পরিষ্কার মনে করা হয়, আসলে তা ততটা পরিষ্কার নয়। এ ঘরে লুকানো থাকে অসংখ্য জীবাণু। এ জীবাণু আমাদের শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রান্নাঘরে ব্যবহূত বিভিন্ন জিনিসপত্রেই এসব জীবাণু লুকিয়ে থাকে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
হাঁড়ি-পাতিল, থালা-বাসন বা পানির গ্লাস মাজার জন্য ব্যবহূত স্পঞ্জ বা মাজনি: রান্নাঘরে ব্যবহূত স্পঞ্জ বা মাজনি অসংখ্য রোগ-জীবাণুর আরামদায়ক আবাস। থালা-বাসন মেজে এগুলোকে কলের পানিতে একটু ধুয়েই ভেজা অবস্থায় রাখা হয়। থাকে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে। হাঁড়ি-পাতিল মাজার পর স্পঞ্জ বা মাজনি পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করলেও এর ভেতরে থেকে যায় বেশ কিছু খাদ্যকণা ও ময়লা। ভেজা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে এসব খাবার ও ময়লা খেয়ে রোগ-জীবাণু বংশ বৃদ্ধি করে খুবই দ্রুত। দুর্গন্ধ হয় তাতে। তারপর স্পঞ্জ বা মাজনির মাধ্যমেই রোগ-জীবাণু চলে যায় পেটে, পাতিলে কিংবা পানির গ্লাসে। স্পঞ্জ বা মাজনির জীবাণু সহজে দূর হয় না। এগুলোকে প্রতি সপ্তাহেই এক-দুবার সাবান দিয়ে ধুয়ে এবং পানিতে ফুটিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। মাইক্রোওভেনে দিয়েও এগুলোকে জীবাণুমুক্ত করা যায় কয়েক মিনিটে। স্পঞ্জ বা মাজনি শুকনো রাখতে হবে যেন জীবাণুগুলো সহজে বংশ বৃদ্ধি করতে না পারে।

join fb

Join Me On Facebook
^ Back to Top