banner

SLIDE BAR

Image Slider By nurmonyitworld.net.ms NUR-MONY IT WORLD ENG.KAMRUL HASAN IFAZ. ''প্রযুক্তিকে ভালবাসুন।প্রযুক্তির সাথে থাকুন সবসময়, প্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিন বিশ্বময়”

হেডলাইন

WELCOME TO OUR BLOG SITE.IF U LIKE OUR BLOG PLEASE SHEAR UR FRIENDS.Email us to inform about our wrong information. to inform about product price and specification, to inform about new product in the market, to inform that what you want to know?THANKS VISIT OUR BLOGSITE
NEED FOR LIFE লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
NEED FOR LIFE লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৭ জানুয়ারি, ২০১৩

অটিস্টিকদের অনলাইন ফোরাম ‘রং প্লানেট

‘আসপ্যারগার্স সিন্ড্রোম’ হলো এক ধরণের ‘অটিজম’৷ এই মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্তরা স্বাভাবিক মানুষের মতো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন না৷ তাই একসময় তাঁদেরকে ‘সামাজিকভাবে মৃত’ বলা হতো৷ তবে দিন পাল্টাচ্ছে৷জার্মান চিকিৎসক হান্স আসপ্যারগার ১৯৪৪ সালে এই মানসিক ব্যাধির কথা বলেছিলেন৷ তাই এর নাম হয়ে গেছে ‘আসপ্যারগার্স সিন্ড্রোম’৷ জার্মানিতে বর্তমানে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ এই ব্যাধিতে আক্রান্ত৷
একটু অন্যরকম হওয়ার কারণে সমাজের আর দশটা সাধারণ মানুষের চোখে তাঁরা ভিন্ন৷ তাই সহজে কেউ তাঁদের সঙ্গে মিশতে চান না৷ কিন্তু ‘আসপ্যারগার্স সিন্ড্রোম’-এ আক্রান্তরা চান বন্ধু বানাতে৷ তাঁরা সামাজিকভাবে একা হয়ে পড়তে চান না৷এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন এমন একজন, যাঁর নিজেরই এই ব্যাধি আছে৷ তাঁর নাম আলেক্সান্ডার প্লাংক৷ মাত্র নয় বছর বয়সে তাঁর এই ব্যাধি দেখা দেয়৷ ২০০৪ সালে তিনি ‘রং প্লানেট’ নামের একটি ওয়েবসাইট চালু করেন৷ যার মাধ্যমে অটিজমে আক্রান্তরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারেন৷
0,,16391945_401,00
এছাড়া, ২০০৬ সাল থেকে ইউটিউবে অটিজমের উপর কিছু ভিডিও প্রকাশ করেন প্লাংক৷ এই ভিডিওগুলোর মাধ্যমে অটিস্টিক মানুষদের সামাজিক কিছু নিয়মকানুন শেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে৷প্লাংকের ‘রং প্লানেট’ ফোরামের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৭০ হাজার৷ তবে ২০০৬ সালের একটি ঘটনা প্লাংককে বিপদে ফেলে দিয়েছিল৷

৬ জানুয়ারি, ২০১৩

সঠিক পথে গাড়ী চালানোর লাইসেন্স পেতে যা করতে হবে...

প্রথম পর্ব
শিক্ষানবীশ ফর্ম মিরপুর বিআরটিএ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। ওদের অফিসে আপনি পাবেন না। নিতে হবে দালালের কাছ থেকে। সে জন্য আপনাকে ১০/২০ টাকা খরচ করতে হবে। তারপর সেই ফর্ম পূরণ করে তার সাথে ভোটার / ন্যাশনাল আইডি কার্ড, কমিশনার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি এবং দুই কপি স্ট্যাম্প সাইজ ছবি এবং ৫০০ টাকা ফিসহ জমা দিতে হবে। ভাগ্য ভালো হলে ২/৩ দিনের মধ্যে শিক্ষানবীশ কার্ড পেয়ে যাবেন। ৩ বার যাওয়া-আসা, ফিসহ অন্যান্য খরচের পরিমান : ৮০০ টাকা।
দ্বিতীয় পর্ব
মাসখানেক বাদে ওদের দেয়া তারিখ অনুযায়ী আপনাকে জুরাইনের চীন মৈত্রী সেতু পার হয়ে কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে যেতে হবে লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষা দেবার জন্য। সকাল নয়টার পরীক্ষা শুরু হবে দশটায়। দেরীতে শুরু করলেও মাত্র পনের মিনিটে শেষ হবে লিখিত পরীক্ষা। এরপর ১২ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বসে থাকতে হবে আপনাকে রেজাল্টের জন্য। ভালো পরীক্ষা দিলে আপনি পাশ করবেন এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাক পড়বে আপনার। সেখানেও যদি পাশ করেন, তবে ৩ টার পর আপনাকে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অবতীর্ন হতে হবে। গাড়ী স্টার্ট করে এদিক সেদিক সামান্য চালাতে পারলেই আপনি পাশ। এদিনে ওরা আপনার শিক্ষানবীশ কার্ডটা রেখে দেবেন। এতসব পরীক্ষা দিতে যেয়ে সারাদিন আপনার শেষ। ইকুরিয়াতে যাওয়া এবং আসা আর সারাদিনে খাবার দাবার মিলিয়ে আপনার এবারের খরচ পড়বে: ৩০০ টাকারও বেশি।

তৃতীয় পর্ব
১৫ দিন পর শিক্ষানবীশ কার্ডটি সংগ্রহ করতে আপনাকে মিরপুর বিআরটিএ যেতে হবে। এরপর নির্ধারিত তারিখে দ্বিতীয়বারের মতো আপনাকে যেতে হবে কেরানীগঞ্জে। যাবার পর এটা সেটা আজাইরা প্রশ্ন করবে আপনাকে। আসলে আপনার উপস্থিতি নিশ্চিত হয়ে নেবেন তারা। সেদিনও সারাদিন আপনার শেষ...। আজকের খরচ : ৩০০ টাকা

চতুর্থ পর্ব
আবার ১৫ দিন পর আপনি মিরপুর অফিসে যাবেন। শিক্ষানবীশ কার্ডটি সংগ্রহ করবেন। ৪ পৃষ্ঠার একটা সবুজ ফর্ম আর দুটো সাদা রংয়ের বিআরটিএর ডিএল (ড্রাইভিং লাইসেন্স) ফর্ম যা অফিসে পাবেন না। আপনাকে ১০ টাকা দিয়ে কিনতে হবে। সবুজটি ফ্রি। এ ৩টি ফর্ম পূরণ করে এর সাথে যা যা দিতে হবে :
১. ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি
২. ২ কপি স্ট্যাম্প সাইজ ছবি
৩. কমিশনারের নাগরিকত্ব সনদপত্র
৪. ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি
৫. মাধ্যমিক পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
৬. শিক্ষানবীশ কার্ড

এতোসব কাগজ পত্র যোগাড় করেছেন ? খুশী হবার মতো কিছু ঘটেনি। কাউন্টারে জমা দিতে যাবেন ? ঘড়ির দিকে তাকান ! ১ টা বেজে গেছে ! স্যরি, আজ আর জমা নেয়া যাবে না। কাল আসুন। খরচ হলো : ২০০ টাকা।

পঞ্চম পর্ব
সকাল সকাল মিরপুরের বিআরটিএ অফিসে গেলেন। প্রতিজ্ঞা করেছেন, আজ ফর্ম জমা দিবেনই...। সব কাগজসহ জমা দিলেন। কাউন্টার থেকে আপনাকে টাকা জমা দেবার চালান দেবে। একটু দুরেই ডাকঘর। সেখানে যেয়ে ঠেলাঠেলি করে ২ হাজার টাকা জমা দিলেন। জমার রশিদ পেতে আরো ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। এরমধ্যে দেখবেন, আপনার পাশ থেকে কতোজন আলম ভাই, আলম ভাই বলে ওপাশের কাউন্টারের ভদ্রলোকের কাছে টাকা জমা দিয়ে রশিদ নিয়ে গেছে। ওপাশের আলম ভাইয়ের সাথে ওদের একটা বুঝাপড়া আছে আগে থেকেই...। তো জমার রশিদ নিয়ে আবার সকল কাগজ জমা দিতে এলন ৭ নং কাইন্টারে। ওপাশের অন্য এক আলম ভাই সব দেখেবে গম্ভীর হয়ে। তারপর বলবেন: শিক্ষানবীশ কার্ডটির ৩ টি, টাকা জমার ৩ টি মোট ৬টি ফটোকপি লাগবে। ফটোকপি মেশিন কোথায় ? গেইটের বাইরে। দৌড়ালেন আপনি। ফটোকপিও করলেন। টাকা দিতে যেয়ে আপনার আক্কেল গুড়–ম! ৬ টি ফটোকপি মাত্র ৩০ টাকা। কেনো ? কারণ, বিদ্যুৎ নেই। জেনারেটরের সাহায্যে ফটোকপি করতে হয়েছে। অতি কৌতুহলী হয়ে আপনি হয়তো জানতে চাইলেন, যখোন বিদ্যুৎ থাকে। ফটোকপি মেশিনের ওপাশের ভদ্রলোক হেসে বলবেন- বিদ্যুৎ এখানে প্রায়ই থাকে না..। এরপর জমা দিলেন সব কাগজ। আপনাকে ৩টি কাগজ ফেরত দেবে- যা দেখিয়ে লাইসেন্স সঙগ্রহ করতে হবে। আপনার আজকের খরচ : ২৩০০ টাকা। ভাবছেন, লাইসেন্স পেয়ে গেলেন ? জ্বী না মশাই ! আপনাকে কম করে ৪ টি মাস অপেক্ষা করতে হবে লাইসেন্সের জন্য। যেমন আজ থেকে আমি অপেক্ষা করছি...

বিকাশ হচ্ছে

সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করছি ভালো আছেন সবাই। আজ আমি bKash account নিয়ে আলোচনা করবো। বিকাশ হচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি উদ্যোগ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকে পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) হিসেবে নিবন্ধিত। দেশজুড়ে এর রয়েছে ১০,০০০ এরও বেশি প্রতিনিধি, যারা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা প্রদান করে।কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে নিবন্ধন এটি সহজ প্রক্রিয়া। এবার আপনি ও নিবন্ধীকৃত হয়।আপনি সমস্ত bKash পরিষেবা ব্যবহার করতে পাবেন। মুহূর্তে নিবন্ধন করতে পারবে Robi ,বাংলালিংক এবং গ্রামীণফোন গ্রাহকরা।অন্যান্য অপারেটর থেকে গ্রাহক bKash ব্যবহার করতে পারবেন না। bKash সহজ ২টি পদ্ধিতিতে আপনি একটি গ্রাহক হিসেবে নিবন্ধন করার উপায় উপলব্ধ করতে পারবেন।কেবলমাত্র একটি ফরম পুরন করলে এজেন্ট আপনার দোরগোড়ায় আপনার নিবন্ধীকরণ গ্রহণের জন্য আসবে।





অথবা, আপনি নিচের কাজগুলো করতে পারেন -

01. আপনার কাছাকাছি bKash প্রতিনিধি কাছে যান। সাথে আপনার সক্রিয় Robi বা গ্রামীণফোন নাম্বার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে যান।


খ. আপনার ফটো আইডি একটি অনুলিপি (জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স / অন্যান্য বৈধ ফটো আইডি নিয়ে যেতে হবে।গ. পাসপোর্ট সাইজ 2 কপি ছবি লাগবে।


02. নিবন্ধীকরণের পরে, আপনি আপনার wallet সক্রিয় করা প্রয়োজন

নিচে দেখুন -




bKash এজেন্ট প্রক্রিয়া চলাকালে আপনি নিবন্ধীকরণ সম্পূর্ণ করার জন্য সাহায্য করবে। আপনি আপনার ফোনে একটি SMS বিজ্ঞপ্তি নিবন্ধন প্রতিপাদক পাবেন।


এখন দেখুন কিভাবে আপনি আপনার wallet bkash একাউন্ট এ টাকা জমা করবেন। আপনার wallet টাকা জমা দেওয়ার জন্য, নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন: -

01. কোনো bKash এজেন্ট এ যান 02. তাকে জানান কত টাকা জমা করতে চান


03. আপনার wallet number এবং টাকার পরিমাণ এজেন্ট register লিখে রাখুন


04. অর্থের পরিমাণ জমা দিন এজেন্ট এর কাছে।


05. এজেন্ট টাকা পাটিয়ে দেবে আপনার wallet number এ

06. আপনি এবং প্রতিনিধি উভয় নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন. কাউন্টার ছাড়ার আগে থেকে প্রতিনিধি রেজিস্টার আপনার স্বাক্ষর করে নিন মনে রেখবেন।


যদি আপনার bKash wallet টাকা থাকে আপনি যেকোন প্রান্ত থেকে যে কোনো সময় নগদ টাকা তুলতে পারবেন আপনার wallet থেকে


নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন: -

01. কোনো bKash এজেন্ট যান


02. টাকার পরিমাণ আপনি উঠাতে চান জানা


03. আপনার wallet number ও টাার পরিমাণ নিবন্ধন লিখে রাখুন


04. * 247#ডায়াল করুন bKash মেনু জন্য আপনার মোবাইল ফোনে


05. নির্বাচন করুন “আউট ক্যাশ” 06. From Agent নির্বাচন করুন


07. wallet numberলিখুন 08. পরিমাণ লিখুন


09. আপনার wallet পিন লিখুন


10. সম্পন্ন হলে আপনি এবং Update Agent-এ উভয় নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন। কাউন্টার পেলে পরিমাণ গণনা এবং Update Agent-এ নিবন্ধন করুন আপনার স্বাক্ষর করুন।



আপনি আপনার wallet ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।




নিচে দেখুন -



যে কোনো সময় আপনি আপনারwallte পিন পরিবর্তন করতে পারবেন।



নিচে দেখুন -



টাকা পাঠাতে পারেন অন্যান্যর wallet numberএ নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করুন -







এবার দেখুন ফি/চার্জ সম্পর্কে বিস্তারিত Service Charges/Other Service Charges/Transaction Limits



ভালো থাকবেন।সবাইকে আনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য…

ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয় পত্র




২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় “ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্প” – এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিককে জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান করে। সাথে সাথে ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরী করা হয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন দেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রকল্পে যারা ভোটার হতে পারেনি এবং প্রকল্পের পরে যাদের বয়স ১৮ বছর হয়েছিল তাদের জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ২০০৯ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করণ ও জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। যেহেতু এই প্রকল্পটি দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে হয়েছে তাই কিছু ভুল-ত্রুটি রয়ে গেছে। কারো কারো নামের ভুল কিংবা পিতা/মাতার নামের ভুল কিংবা ঠিকানার ভুল ইত্যাদির জন্য জনগণকে ঢাকাস্থ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের প্রকল্প অফিসে যোগাযোগ করতে হয়। প্রকল্প কার্যালয়টি আগাঁরগাওস্থ ইসলামী ফাউন্ডেশন ভবনের ৭ম তলায় অবস্থিত। অফিস থেকে যেসব সেবা প্রদান করা হয় তাঁর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:






জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন:


প্রকল্প কার্যালয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন সম্পর্কিত সেবা গ্রহণ করতে হলে প্রকল্প পরিচালককে সম্বোধন করে সাদা কাগজে/নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করে নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র গ্রহণ করতে হবে।






১. নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান পরিবর্তনে নিম্নোক্ত সদনসমূহের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হবে।
এস.এস.সি/সমমান সনদ
নাগরিক সনদ
জন্মসনদ
চাকুরীর প্রমাণপত্র
পাসপোর্ট
নিকাহনামা
পিতা/মাতা/স্বামীর জাতীয় পরিচয় পত্রের অনুলিপি


এক বা একাধিক দলিল দেওয়া যাবে। নিজের ডাকনাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরবর্তীতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে শুনানী হবে এবং মূল কাগজপত্র দেখাতে হবে।
২. বিবাহ/বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে সংশোধন:
বিবাহের ক্ষেত্রে স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বিবাহের কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয় পত্রের অনুলিপি।
বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে তালাক নামার সত্যায়িত কপি দিতে হবে।

৩. পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন
পিতা/মাতার নাম আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত কাগজ দিতে হবে।
এস.এস.সি/এইচ.এস.সি/সমমান পরীক্ষার সনদ/রেজি.।
পিতা/মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি।
পিতা/মাতা মৃত হলে ভাই/বোনের জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি।
অন্য কোন গ্রহণযোগ্য কাগজ সত্যায়িত কপি

বি.দ্র. প্রকল্প কর্মকর্তার কাছে সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে

৪. জন্ম তারিখ পরিবর্তন:


যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এস.এস.সি/সমমান
তাদের অবশ্যই এস.এস.সি/সমমান পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত কপি।


সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রয়োজনে শুনানীতে অংশ নিতে হবে।


যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এস.এস.সি/সমমানের নীচে তাদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয় পত্র ইস্যুর তারিখের পূর্বের
সার্ভিস বুক/এমপিও’র কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্স
পাসপোর্ট
জন্ম সনদ
নিকাহনামা


সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রয়োজনে শুনানীতে অংশ নিতে হবে। সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।

৫. বিবিধ সংশোধন:

জাতীয় পরিচয় পত্রে নামের পূর্বে কোন পদবী, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না
পিতা/মাতা/স্বামীকে মৃত উল্লেখ করতে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে।
পিতা/মাত/স্বামীকে ভুলক্রমে ‘জীবিত’ কে ‘মৃত’ হিসেবে উল্লেখ করলে পিতা/মাতা/স্বামীর পরিচয় পত্র দাখিল করতে হবে।
৬. রক্তের গ্রুপ সংশোধন:
রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত/সংশোধন করতে মেডিক্যাল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
৭. ঠিকানা সংশোধন:
ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ইসি কর্তৃক প্রকাশিত ফরম ১৩/ফরম ১৪ সংশ্লিষ্ট থানা/উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তবে ঠিকানায় বাসা/সড়ক নম্বর ভুল বা বানান ভুল প্রকল্প অফিসে সংশোধন করা হয়। এক্ষেত্রে নিমোক্ত কাগজ পত্র প্রয়োজন হবে।
ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ/ওয়াসা/ফোন) বিলের কপি।
চেয়ারম্যান/কমিশনারের প্রত্যয়ন পত্র।
পরিবারের সদস্যের পরিচয় পত্র

২০০৯ সালের হালনাগাদ (Updating) প্রকল্পে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের ডিসেম্বর ২০১০ থেকে পরিচয় পত্র দেওয়া হচ্ছে।
৮. নতুন ভোটার হওয়া যাবে কি না
এখন নতুন ভোটার করা বন্ধ আছে।
৯. হারিয়ে গেলে
পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর/আইডি নম্বর উল্লেখ করে সাধারণ ডাইরি (জিডি) করতে হবে। জিডির মূল কপি সহ সাদা কাগজে/নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হবে।
১০. অবিতরণকৃত পরিচয় পত্র বিতরণ:
প্রকল্প অফিস, ঢাকা সিটি কর্পো: (ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর ব্যতীত) ২০০৭-০৮ সালের অবিতরণকৃত পরিচয় পত্র দেওয়া হয়।
অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে মূল প্রাপ্তি স্বীকার পত্র সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তার মন্তব্যসহ প্রাপ্তি স্বীকার পত্র জমা দিয়ে পরিচয় পত্র নেওয়া যাবে।

অবস্থান

ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবন (৭ম তলা), আগারগাঁও, শেরে বাংলা, ঢাকা -১২১৭।
কর্মঘন্টা:
সকাল ১০.০০ টা হতে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন থেকে এসব সেবা সমূহ নিতে কোন প্রকার চার্জ/ফি দিতে হয় না।
আবেদনের কতদিন পরে পাওয়া যায়:
আবেদনের পর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে পরিচয় পত্র দেওয়া হয়। ডেলিভারীর তারিখের পর থেকে ৭ দিনের মধ্যে পরিচয় পত্র না নিলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
সত্যায়ন:
জমাকৃত ফটোকপি দলিলাদি অবশ্যই সত্যায়িত করে দিতে হবে। মূল পরিচয় পত্র (যদি থাকে) সঙ্গে আনতে হবে।


ওয়েব সাইট: http://www.ecs.gov.bd/Bangla/
ঢাকা জেলা অফিস:
৬৭ পশ্চিম আগারগাঁও (পানির ট্যাংক) শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২১৭।
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের গোপন সংকেত বা মানে জানুন।
বাংলাদেশী হিসাবে আমাদের অনেকেরই জাতীয় পরিচয় পত্র আছে। অনেকে এটাকে ভোটার আইডি কার্ড হিসাবে বলেন যেটা সম্পূর্ন ভূল। এটার ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র।
আপনারা দেখলেন এটার নীচে লাল কালি দিয়ে লেখা ১৩ সংখ্যার একটা নম্বর আছে যাকে আমরা আইডি নম্বর হিসাবে জানি। কিন্তু এই ১৩ সংখ্যার মানে কি?
১. প্রথম ২ সংখ্যা – জেলা কোড। ৬৪ জেলার আলাদা আলাদা কোড আছে। ঢাকার জন্য এই কোড ২৬।
২. পরবর্তী ১ সংখ্যা – এটা আর এম ও (RMO) কোড।

* সিটি কর্পোরেশনের জন্য -৯

* ক্যান্টমমেন্ট -৫

* পৌরসভা -২

* পল্লী এলাকা -১

* পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা -৩

* অন্যান্য - ৪
৩. পরবর্তী ২ সংখ্যা -এটা উপজেলা বা থানা কোড
৪. পরবর্তী ২ সংখ্যা - এটা ইউনিয়ন (পল্লীর জন্য) বা ওয়ার্ড কোড (পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের জন্য)
৫. শেষ ৬ সংখ্যা - আইডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা সেই ফর্ম নম্বর।

join fb

Join Me On Facebook
^ Back to Top